আল্লাহর নামে শুরু করছি, যিনি পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু।
১৯৩৭ সালে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা হযরত সৈয়দ আনোয়ার কাশ্মীরি (রহঃ)-এর খলিফা হযরত মাওলানা মোজাফফর উদ্দিন করিমপুরী (রহঃ) এই বিদ্যাপীঠটি প্রতিষ্ঠা করে স্বয়ং অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দানশীল ও ইসলামপ্রাণ ব্যক্তিবর্গের অক্লান্ত পরিশ্রম, আন্তরিক সহযোগিতা এবং আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে এ মাদ্রাসা জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে আসছে।
প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক পর্যায়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ যেমন মাওলানা রৌশন আলী, আকবর আলী তালুকদার, ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ আব্দুল আউয়াল, ডা. মাহতাব উদ্দীন প্রমুখ ব্যক্তিদের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। একইভাবে বিনা বেতনে বা নামমাত্র বেতনে শিক্ষকতা করে যারা এ প্রতিষ্ঠানকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছেন—তাঁদের ত্যাগ ও শ্রম মাদ্রাসার ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
আজ এ প্রতিষ্ঠান ২.৫২ একর জমির উপর অবস্থিত হয়ে প্রাথমিক স্বীকৃতি থেকে শুরু করে ফাজিল (স্নাতক) এবং বর্তমানে কামিল (স্নাতকোত্তর) স্তর পর্যন্ত অনুমোদন লাভ করেছে। প্রথমে আসাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে, পরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়া এবং বর্তমানে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হয়ে এ মাদ্রাসা দেশের উচ্চশিক্ষা অঙ্গনে মর্যাদার আসন লাভ করেছে।
আমি গর্ব অনুভব করি যে, এ প্রতিষ্ঠান শুধু জ্ঞানের আলোই ছড়িয়ে দিচ্ছে না, বরং নৈতিকতা, আধ্যাত্মিকতা এবং আদর্শ জীবন গঠনেরও দীক্ষা দিচ্ছে। আমাদের শিক্ষার্থীরা আগামীর সমাজ ও জাতিকে নেতৃত্ব দেবে—এই প্রত্যাশায় আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করি।
আল্লাহর রহমতে এ মাদ্রাসা যেন আরও সমৃদ্ধ হয়, দেশের ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতির উজ্জ্বল দিগন্ত হয়ে থাকে—এই আমার আন্তরিক কামনা।
— ভাইস প্রিন্সিপাল
